২০২৫: শোক, বিবর্তন এবং এক নতুন ইতিহাসের যাত্রা

ছবি
 ২০২৫: শোক, বিবর্তন এবং এক নতুন ইতিহাসের যাত্রা ২০২৫ সালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আবেগঘন বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একদিকে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও দুর্ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে, অন্যদিকে দেশের রাজনীতির এক দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে। আজকের প্রতিবেদনে আমরা ২০২৫ সালের সেই সব ঘটনা ও অঘটনগুলো তুলে ধরছি যা আমাদের জাতীয় জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। ১. বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণ: একটি যুগের অবসান ২০২৫ সালের শেষভাগে বাংলাদেশ হারিয়েছে তার ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী এবং আপসহীন নেত্রী, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে।  * মহাপ্রয়াণ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে তাঁর এই প্রস্থান দেশের রাজনীতিতে একটি বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে।  * রাষ্ট্রীয় শোক: তাঁর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এছাড়া ৩১ ডিসেম্বর সারাদেশে সাধারণ ছুটি পালন কর...

জামিনে মুক্ত হয়েই কারাফটক থেকে ফের গ্রেপ্তার হলেন আওয়ামী লীগ নেতা

 


ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৫ জুন ২০২৫: আদালতের নির্দেশে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বের হওয়ার পরপরই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হান্নান রতনের কারাফটক থেকে পুনরায় গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে দুপুর ১টার দিকে আব্দুল হান্নান রতন জামিনে মুক্তি পান। কিন্তু কারাগারের মূল ফটক থেকে বের হওয়ার পরপরই সাদা পোশাকের একদল পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই আকস্মিক গ্রেপ্তারের ঘটনা উপস্থিত জনতা ও রতনের স্বজনদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই গ্রেপ্তারের কারণ সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, রতনের বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং সেগুলোর প্রেক্ষিতেই তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই নতুন গ্রেপ্তারের পেছনে পুরোনো কোনো মামলার ওয়ারেন্ট অথবা নতুন কোনো অভিযোগের বিষয় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আব্দুল হান্নান রতন এর আগে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। গত এপ্রিল মাসে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এর আগে তিনি বিভিন্ন সময় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন এবং দলের সাংগঠনিক পদ থেকেও বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।

এই গ্রেপ্তারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রতনের সমর্থকরা বলছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার জামিনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি চেষ্টা। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষরা মনে করছেন, অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানিয়েছেন। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত রতনকে কোন থানায় নেওয়া হয়েছে বা তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। রতনের আইনজীবীরা বলছেন, তারা দ্রুত বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন। এই ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

২০২৫ সালে বাংলাদেশের সেরা ১০টি হিডেন ট্র্যাভেল স্পট – যা এখনো অনেকেই জানে না! 📅 প্রকাশকাল: ৮ জুন ২০২৫

ইরান ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

ট্রাম্প বনাম মাস্ক: প্রযুক্তির টাইকুন ও রাজনীতির মহারথীর প্রকাশ্য দ্বৈরথ